মোঃ সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক-বন্দর বিভাগের উদ্যোগে কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক এলাকায় সড়ক নিরাপত্তা ও যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মইজ্জারটেক মোড়ে যানবাহন চালক ও মালিকদের সচেতনতা বাড়াতে একটি দিকনির্দেশনামূলক ব্যানার স্থাপন করা হয়। এ সময় ট্রাফিক ইনচার্জ টিআই আবু সাঈদ বাকার উপস্থিত ছিলেন।
স্থাপিত ব্যানারে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সড়কে চলাচলকারী অন্যান্য যানবাহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, পুলিশের নাম ব্যবহার করে কোনো সিএনজি বা অটোরিকশায় টোকেন বিক্রি না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কোনো গাড়িতে টোকেন প্রদর্শন করা হলে বা টোকেন বাণিজ্যে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের টাকার বিনিময়ে কোনো ধরনের টোকেন গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ব্যানারে আরও জানানো হয়, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্ধারিত স্থান ছাড়া যত্রতত্র গাড়ি থামানো, নো-পার্কিং এলাকায় গাড়ি রেখে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে সংশ্লিষ্ট গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি গ্রাম সিএনজি ও অনটেস্ট সিএনজি মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচল না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে গাড়ি আটক করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মূল সড়কে প্রবেশ, উল্টো পথে চলাচল এবং ব্রিজে ওঠার চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ইনচার্জ টিআই আবু সাঈদ বাকার বলেন, “সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আমরা এই সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন করেছি। কিছু অসাধু চক্র পুলিশের নাম ব্যবহার করে সিএনজিতে টোকেন বাণিজ্য করার চেষ্টা করে, যার সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের কোনো সম্পর্ক নেই।”
তিনি আরও বলেন, “ট্রাফিক আইন অমান্যকারী এবং অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ও আইনগত পদক্ষেপ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”
সিএমপির ট্রাফিক-বন্দর বিভাগের পক্ষ থেকে সকল যানবাহন চালক ও মালিকদের সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রেখে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।