Skip to main content
FurqanBartaTruth, trust and useful connectionCreate an account

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ বিদ্যমান, তবে চুক্তির পথ এখনো সুদূরপরাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক (বিবিসি): দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ চ্যানেল সক্রিয় রয়েছে। তবে এই দুই দেশের মধ্যে কোনো বড় ধরনের চুক্তিতে পৌঁছানো এখনো অনেক দূরের পথ বলে বিবিসি জানিয়েছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও, বিভিন্ন গোপন এবং পরোক্ষ মাধ্যমের সাহায্যে তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যে পরোক্ষ যোগাযোগ বিদ্যমান, তা সাধারণত তৃতীয় কোনো দেশ, আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী অথবা নির্দিষ্ট কিছু কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এই ধরনের চ্যানেলগুলো সাধারণত সংকট মোকাবিলা, ভুল বোঝাবুঝি কমানো অথবা নির্দিষ্ট কিছু ইস্যুতে পারস্পরিক অবস্থান তুলে ধরার জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও এই যোগাযোগ প্রত্যক্ষ উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনার মতো নয়, তবুও এটি দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যে সম্পূর্ণ বিচ্ছেদ এড়াতে এবং সম্ভাব্য সংঘাত প্রশমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পরোক্ষ সংলাপের মাধ্যমে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান ও উদ্বেগ জানানোর সুযোগ পায়। চুক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তবে, এই পরোক্ষ যোগাযোগ সত্ত্বেও, উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সুদূরপ্রসারী চুক্তি বা দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীল সমাধানে পৌঁছানো এখনো অনেক কঠিন। বিবিসি সূত্র মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো তাৎক্ষণিক অগ্রগতি আশা করা যাচ্ছে না। দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক অবিশ্বাস, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন নীতিগত পার্থক্য চুক্তি সম্পাদনের পথে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। এ ধরনের যেকোনো চুক্তির জন্য উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে ব্যাপক ছাড় এবং দীর্ঘমেয়াদী ফলপ্রসূ আলোচনার প্রয়োজন, যা বর্তমান যোগাযোগের ধরন দিয়ে সম্ভব নয় বলে মনে করা হচ্ছে। উভয় পক্ষের উদ্দেশ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান, উভয় পক্ষই এই পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে সচেষ্ট। যদিও সরাসরি আলোচনার দরজা বন্ধ, তবুও প্রত্যেক পক্ষই সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে এবং নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে সচেষ্ট। তেহরান হয়তো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আগ্রহী হতে পারে, অন্যদিকে ওয়াশিংটন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলোতে নজর রাখছে। তবে এই সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যগুলো পূরণে কোনো সরাসরি সমঝোতার পথ এখনো অধরা রয়ে গেছে। সর্বশেষ পরিস্থিতি সর্বশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগের চ্যানেলগুলো খোলা থাকলেও, তা একটি পূর্ণাঙ্গ বা স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বিবিসি জানায়, একটি ব্যাপক ও কার্যকর চুক্তির জন্য উভয় পক্ষকে তাদের মৌলিক মতপার্থক্যগুলো অতিক্রম করতে হবে, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত দীর্ঘ এবং ধীরগতির হবে বলেই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবং অদূর ভবিষ্যতে কোনো বড় ধরনের চুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ।

First published on furqanbarta.com · March 26, 2026 · MD Hamidur Rahman

This post was shared with everyone. Join to react, reply and follow what happens near you.

Create an account