Skip to main content
FurqanBartaTruth, trust and useful connectionCreate an account

ইরানের স্কুলে হামলায় মার্কিন তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের আহ্বান: ‘ভয়াবহ বিভীষিকা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক (বিবিসি): জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক সম্প্রতি ইরানের একটি স্কুলে সংঘটিত হামলার ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত ১৬৮ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের অধিকাংশই ছিল শিশু। তুর্ক এই নৃশংস ঘটনাকে ‘মর্মস্পর্শী বিভীষিকা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবিসি জানায়, ইরানের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই হামলা চালানো হয়, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এই হামলায় নিষ্পাপ শিশুদের ব্যাপক প্রাণহানি বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। নিহতদের তালিকায় শিশুদের সংখ্যাধিক্য ঘটনাটির ভয়াবহতা আরও প্রকট করে তুলেছে। ভলকার তুর্ক তার বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছেন যে, বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষ করে স্কুল ও শিশুদের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ এবং এর পেছনে জড়িতদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত। এই ধরনের হামলার ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় এবং সমাজে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছে। এই হামলা সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করেছে। জাতিসংঘের উদ্বেগ ও আহ্বান জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক তার বিবৃতিতে এই জঘন্য হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং এর শিকার ব্যক্তিদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি বলেন, “এই হামলা এক মর্মান্তিক বিভীষিকা সৃষ্টি করেছে, যা অকল্পনীয় এবং অগ্রহণযোগ্য।” তিনি এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তুর্ক বিশেষভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা এই হামলার বিষয়ে তাদের তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে এবং এর ফলাফল প্রকাশ করে। এই আহ্বানের মাধ্যমে জাতিসংঘ আশা করছে যে, ঘটনাটির সম্পূর্ণ সত্য উন্মোচিত হবে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ধরনের নৃশংসতা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব বলে জাতিসংঘ মনে করে। মানবাধিকার কর্মীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত ও অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে তা সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে শিশুদের ঝুঁকির মাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।

First published on furqanbarta.com · March 28, 2026 · MD Hamidur Rahman

This post was shared with everyone. Join to react, reply and follow what happens near you.

Create an account