Skip to main content
FurqanBartaTruth, trust and useful connectionCreate an account

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত তেহরান: এক মাস পরেও ধ্বংসস্তূপের নিচে স্বজন খুঁজছে বাসিন্দারা, বাড়ছে বেসামরিক মৃত্যুর সংখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক (বিবিসি): তেহরানে হামলার এক মাস পর ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার এক মাস পেরিয়ে গেলেও তেহরানের বাসিন্দাদের জীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে, যার ফলে তাদের জীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিবিসি জানায়, হামলার এক মাস পরেও তেহরানের সাধারণ মানুষেরা গভীর সংকটে দিন কাটাচ্ছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে তাদের স্বজনদের খোঁজে রয়েছেন, যেমনটা একজন বাসিন্দা তার মেয়েকে খুঁজছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই হামলাগুলো এক মাস আগে সংঘটিত হলেও, এর রেশ এখনো তেহরানের বাতাস ও মাটি জুড়ে বিদ্যমান। শহরটির বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে এবং বহু পরিবার তাদের প্রিয়জন ও আবাসস্থল হারিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সামরিক পদক্ষেপের ফলে যে কেবল অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে তা নয়, বরং তা হাজার হাজার মানুষের মানসিক ও সামাজিক জীবনেও গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। বেসামরিক নাগরিকদের দুর্দশা ও ক্ষয়ক্ষতি তেহরানের বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই হামলাগুলো তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। তারা বলছেন, তাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে, বহু পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে এবং প্রিয়জন হারানোর বেদনা তাদের তাড়া করে ফিরছে। এক মাস পরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি; বরং জীবনযাত্রার মান আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামলার পর থেকে বেসামরিক মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, যা এলাকার মানবিক সংকটকে আরও গভীর করছে। বিশেষত, হামলার শিকার এক বাসিন্দা যখন বলেন, “আমার মেয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে”, তখন তা পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা স্পষ্ট করে তোলে। এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত শোক নয়, বরং সমগ্র তেহরানবাসীর সামগ্রিক যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি। এই ধরনের হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো এবং মানুষের জীবনযাত্রার ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এসেছে। বিবিসি সূত্র মতে, তেহরানের অসংখ্য বাসিন্দা এখনো তাদের হারানো জিনিসপত্র, আশ্রয় এবং প্রিয়জনদের স্মৃতির ভার বহন করছেন।

First published on furqanbarta.com · March 27, 2026 · MD Hamidur Rahman

This post was shared with everyone. Join to react, reply and follow what happens near you.

Create an account