Skip to main content
FurqanBartaTruth, trust and useful connectionCreate an account

নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিট নীরবতা ভেঙে জেফরি এপস্টেইনের দ্বারা ‘প্রতারিত ও প্রভাবিত’ হওয়ার অভিযোগ তুললেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক (বিবিসি): নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিট সম্প্রতি নীরবতা ভেঙে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার অতীতের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। একটি নরওয়েজিয়ান টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন যে, এপস্টেইন তাকে ‘প্রতারিত ও প্রভাবিত’ করেছিলেন। প্রিন্সেস মেটে-মারিট তার এই সাক্ষাতে এপস্টেইনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, তিনি যদি জানতেন এমনটা হবে, তাহলে তিনি কখনোই তার সঙ্গে দেখা করতেন না। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজপরিবারের একজন সদস্যের কাছ থেকে এমন সরাসরি মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ঘটনার প্রেক্ষাপট প্রিন্সেস মেটে-মারিটের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন জেফরি এপস্টেইনের যৌন অপরাধ এবং তার বিস্তৃত প্রভাবশালীদের নেটওয়ার্ক নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক এবং তদন্ত চলছে। এপস্টেইন, যিনি ২০১৮ সালে যৌন পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে কারাগারে আত্মহত্যা করেন, তার বিরুদ্ধে অসংখ্য নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও পাচারের অভিযোগ ছিল। বিবিসি জানায়, তার মৃত্যুর পরেও এপস্টেইনের সঙ্গে জড়িত থাকা বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে, যা জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রিন্সেসের স্বীকারোক্তি তার ব্যক্তিগত অনুভূতির পাশাপাশি ঘটনার গুরুত্বকেও তুলে ধরেছে। প্রিন্সেসের অনুশোচনা নরওয়েজিয়ান টেলিভিশনের কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিট স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, তিনি যদি এপস্টেইনের আসল চরিত্র ও তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখতেন, তাহলে তিনি কখনোই তার সংস্পর্শে আসতেন না। তিনি নিজেকে এপস্টেইনের দ্বারা ‘প্রতারিত’ এবং ‘প্রভাবিত’ বলে বর্ণনা করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে, তিনি তার আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তার এই বিবৃতি কেবল ব্যক্তিগত দুঃখ প্রকাশ নয়, বরং এর মাধ্যমে তিনি এপস্টেইনের শিকার হওয়া অন্যান্য ব্যক্তিদের প্রতিও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বিবিসির সূত্র মতে, এই অনুশোচনা রাজকীয় মর্যাদা এবং জনসেবার প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। রাজকীয় মন্তব্যের গুরুত্ব একজন রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে মেটে-মারিটের এই প্রকাশ্যে কথা বলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এপস্টেইনের মতো একজন বিতর্কিত ব্যক্তির প্রতারণার শিকার হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমে তিনি কেবল তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেননি, বরং এপস্টেইনের শিকার হওয়া অসংখ্য ভুক্তভোগীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। বিবিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই ধরনের উচ্চপদস্থ ব্যক্তির মন্তব্য জনমনে এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক এবং তার অপরাধের ভয়াবহতা সম্পর্কে নতুন করে সচেতনতা সৃষ্টি করবে এবং জবাবদিহিতার দাবিকে আরও শক্তিশালী করবে। এটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

First published on furqanbarta.com · March 21, 2026 · MD Hamidur Rahman

This post was shared with everyone. Join to react, reply and follow what happens near you.

Create an account