Skip to main content
FurqanBartaTruth, trust and useful connectionCreate an account

সূর্য উঠলেই শুরু ভোটগ্রহণ: কার হাতে তুলে দেবেন আমানত? বুথে ঢোকার আগে শেষবারের মতো ভাবুন

Picture posted by ফুরকানবার্তা নিউজ ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ফোরকান বার্তা প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | বাংলাদেশ দীর্ঘ প্রচার-প্রচারণার কোলাহল থেমে গেছে। চারদিকে এখন পিনপতন নীরবতা। আর কিছুক্ষণ পরেই পুব আকাশে সূর্য উঠবে, শুরু হবে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং প্রতিটি মুমিন মুসলমানের জন্য এক মহপরীক্ষার মুহূর্ত। আজকের এই নিস্তব্ধ মুহূর্তে, আপনি যখন ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন “ফোরকান বার্তা” আপনাকে কুরআনের আলোকে শেষবারের মতো সতর্ক করতে চায়। আপনার একটি সিল বা বোতামের চাপ নির্ধারণ করবে—আপনি অন্যায়ের পক্ষে, নাকি ন্যায়ের পক্ষে; জালেমের সাথে, নাকি মজলুমের সাথে। আজকের ভোট: নিছক ক্ষমতা নয়, এটি আপনার ‘আখেরাত’ ইসলামি শরিয়ত মতে, ভোট দেওয়া মানে হলো কাউকে নিজের প্রতিনিধি নিযুক্ত করা (Wakalah) এবং তার সততার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেওয়া (Shahadah)। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি জেনেশুনে অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করে বা সমর্থন করে, সে আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং সকল মুমিনের সাথে খেয়ানত করল।” আজ আপনি যাকে ভোট দেবেন, আগামী ৫ বছর সে যা কিছু করবে—তার প্রতিটি কাজের অংশীদার আপনাকেই হতে হবে। • সে যদি ন্যায়বিচার করে, আপনি সওয়াব পাবেন। • সে যদি দুর্নীতি করে, টাকা পাচার করে বা কারো ওপর জুলুম করে—তবে সেই পাপের বোঝা কবরে আপনাকেই বইতে হবে। কারণ, আপনার ভোটেই সে সেই ক্ষমতায় বসেছিল। কুরআনের মানদণ্ডে আপনার সিদ্ধান্ত পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা জালেম ও পাপাচারীদের সহযোগী হতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। সুরা হুদ-এর ১১৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন: “আর তোমরা জালেমদের দিকে ঝুঁকে পড়ো না (তাদের সমর্থন করো না), অন্যথায় জাহান্নামের আগুন তোমাদের স্পর্শ করবে।” ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন: ১. আমি কি এমন কাউকে ভোট দিচ্ছি যে অতীতে ইসলাম ও মানবতার ক্ষতি করেছে? ২. আমি কি টাকার লোভে বা আবেগের বশবর্তী হয়ে একজন অসৎ ব্যক্তিকে নির্বাচিত করছি? ৩. আমার এই ভোটের জবাব কি আমি হাশরের ময়দানে আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে দিতে পারব? বুথে ঢোকার আগে শেষ সিদ্ধান্ত আজকের নির্বাচনে আপনার সামনে দুটি পথ খোলা: ১. দুনিয়ার স্বার্থ: টাকা, ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজকে ভোট দেওয়া। যার পরিণাম পরকালে ভয়াবহ। ২. আল্লাহর সন্তুষ্টি: যিনি আল্লাহকে ভয় করেন, জনগণের আমানত রক্ষা করবেন এবং দেশে ইনসাফ কায়েম করবেন—এমন যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া। মনে রাখবেন, হাদিস শরিফে এসেছে—“সবচেয়ে হতভাগা সে, যে অন্যের দুনিয়া গোছাতে গিয়ে নিজের আখেরাত নষ্ট করে।” আজ আবেগের বশে ভুল মার্কায় ভোট দিয়ে অন্যের গদি ঠিক রাখতে গিয়ে নিজের পরকাল ধ্বংস করবেন না। ফোরকান বার্তার আহ্বান সম্মানিত ভোটার, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে অজু করে নিন, আল্লাহর নাম স্মরণ করুন। ব্যালট পেপার বা ইভিএম-এর সামনে দাঁড়িয়ে ভাবুন—আল্লাহ আমাকে দেখছেন। কোনো দলের বা ব্যক্তির মুখের দিকে না তাকিয়ে, কেবল আল্লাহর ভয়ে এবং দেশের মঙ্গলের জন্য—সৎ, যোগ্য এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী প্রার্থীকে আপনার পবিত্র আমানত (ভোট) প্রদান করুন। আপনার একটি সঠিক সিদ্ধান্তই পারে দুর্নীতিমুক্ত, শান্তিময় এবং ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন। ফোরকান বার্তা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল। #Election2026 #VoteForIslam #Bangladesh #FurqanBarta #MoralVote

First published on furqanbarta.com · February 12, 2026 · GSM Al Masud (Founder & CEO)

This post was shared with everyone. Join to react, reply and follow what happens near you.

Create an account