বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় ইলিশ আমদানি বাড়ছে, দুই মাসে প্রায় ৩৫৩ টন
বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় ইলিশের আমদানি বেড়েছে। জুলাই ও আগস্টে এসেছে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ। এর মধ্যে আগস্টেই আমদানি হয়েছে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি—জুলাইয়ের প্রায় ১১ গুণ। ফুরকানবার্তা | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আমদানিতে বড় লাফ বেনাপোলের মৎস্য সঙ্গনিরোধ কর্তৃপক্ষের নথির বরাতে পাওয়া হিসাবে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এই পরিমাণ ইলিশ এসেছে। জুলাইয়ে আমদানি ছিল ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি। পরের মাসে তা বেড়ে যাওয়ায় দুই মাসের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫২.৭৮৬ টনে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হিসাবে ৫০০ টন হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানিয়েছেন, গত দুই মাসে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০–২০০ টন পাঠানোর প্রত্যাশা করছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মাছের বড় অংশ সংগ্রহ করা হয়েছে গুজরাট থেকে। বাংলাদেশে সরবরাহের ঘাটতি ও ডিমভরা ইলিশের চাহিদাকে এই বাণিজ্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। বেনাপোলের ৩৫২.৭৮৬ টন নির্দিষ্ট বন্দরের জুলাই–আগস্টের হিসাব; আর প্রায় ৫০০ টন ব্যবসায়ী সংগঠনের দেওয়া আনুমানিক পরিমাণ। সময়সীমা ও অন্তর্ভুক্ত চালান পুরোপুরি না মেলায় দুটি সংখ্যাকে একই হিসাব হিসেবে তুলনা করা যাচ্ছে না। বাজারে মাছের উৎস জানানো জরুরি যশোরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান আমদানি করা ইলিশের উৎস স্পষ্ট করে বিক্রির কথা বলেছেন। বেনাপোলের সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তাদের বক্তব্য, এই বন্দর দিয়ে আসা ইলিশ ভারতীয় উৎসের। ক্রেতাদের জন্য এর অর্থ কী আমদানি বৃদ্ধি বাজারে সরবরাহ বাড়াতে পারে। তবে তার সুফল খুচরা দামে কতটা পড়ছে, সেটিই ক্রেতার কাছে বড় বিষয়। শুধু আমদানির পরিমাণ দিয়ে সারা দেশে ইলিশের দাম কমেছে বলা যায় না; সে জন্য বাজারভিত্তিক দামের তথ্য দরকার। একই সঙ্গে মাছের উৎস সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য থাকলে দেশি ও আমদানি করা ইলিশের দাম তুলনা করে কেনার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।